খুঁজুন
শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৪ মাঘ, ১৪৩২

ডাকসুতে শিবির জিততে পারে ৬ কারণে

এফ শাহজাহান
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫, ৪:০২ অপরাহ্ণ
ডাকসুতে শিবির জিততে পারে ৬ কারণে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ‘ডাকসু’ নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেতার সম্ভাবনাই বেশি। এবারে শুরুতেই সবার আগে চমক দেখাতে সক্ষম হয়েছেন তারা। ক্যাম্পাসে বহুল পরিচিত এবং সেরা মেধাবীদের সমন্বয়ে বহুবৈচিত্রময় ‘দুর্ভেদ্য প্যানেল’ ঘোষণা করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে পেরেছে শিবির। এটা তাদের বিজয়ের জন্য মূখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে বলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা গুঞ্জন তুলেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে প্রতিপক্ষ ছাত্রসংগঠনগুলোর সম্মিলিত স্বেচ্ছাচারিতা এবং চরম জুলুম নির্যাতনের শিকার ইসলামী ছাত্রশিবির স্বাভাবিক কারনেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমর্থন পাবে বেশি। সর্বদলীয় ছাত্রসংগঠনগুলোর জোটবদ্ধ বিরোধীতার মুখেও টিকে থাকা শিবির স্বভাবতই এবার তাদের সর্বোচ্চ শক্তি দেখাতেও কার্পণ্য করবে না। চব্বিশের জুলাই বিপ্লবে সংগঠনটির আপসহীন অগ্রনী ভুমিকাও এবারের ডাকুস নির্বাচনে শিবিরকে এগিয়ে রাখতে সহায়ক হবে।
এছাড়াও নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, নির্দলীয় শিক্ষার্থীদের নিরব সমর্থন, বিতর্কিত প্রতিপক্ষের দলীয় কোন্দল, এবং শিক্ষার্থীদের তিক্ত অভিজ্ঞতাসহ গুরুত্বপূর্ণ ৬টি কারন এবার ডাকসু নির্বাচনে শিবিরকে জিতিয়ে দিতে পারে।
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের স্বাধীনতা অর্জন, নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং চব্বিশের রক্তঝরা বিপ্লবে নেতৃত্বদানকারী প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবোজ্জল ইতিহাসকে আরো সমুজ্জল করবে এবারের ডাকসু নির্বাচন।
বাংলাদেশের `দ্বিতীয় সংসদ’ নামে বিখ্যাত হয়ে ওঠা ‘ডাকসু’ ঠিক একশ বছর পর এবারই নতুন আরেক ইতিহাস নির্মান করতে যাচ্ছে। ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ডাকসু ২০২৫ সালে এসে যে বাঁকবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে, তা ভবিষ্যতের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানেও জোরালো ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
প্রচলিত ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ ১৯৯০ সালের ৬ জুন ডাকসু ও ১৮টি আবাসিক হল সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। এরপর দীর্ঘ ২৮ বছর ডাকসু নির্বাচন হয়নি। ২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি ছয় মাসের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন করার জন্য রায় দেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। এরপর ২০১৯ সালের ১১ই মার্চ সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।
টানা ৬ বছরের বিরতির পর ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের পথ ধরে এবছর আবার ডাকসু নির্বাচন হতে যাচ্ছে। তাই এবারের ডাকসু নির্বাচন দেশজুড়ে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে যে ৬ কারণে শিবিরের প্যানেল বিজয়ী হতে পারে তা নিচে বিশ্লেষন করা হয়েছে।
প্রথমত : বুলেটপ্রুফ প্যানেল
ইসলামী ছাত্রশিবির সবাইকে চমকে দিয়ে সবার আগে এমন একটা দুর্ভেদ্য প্যানেল ঘোষণা করেছে, যা ইতমধ্যেই ‘বুলেটপ্রুফ প্যানেল’ হিসেবে ক্যাম্পাসে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
ক্ষুদ্র ও নৃগোষ্ঠীদের প্রতিনিধি হিসেবে সর্ব মিত্র চাকমা, প্রতিবন্ধীদের প্রতিনিধি হিসেবে, জুলাই যুদ্ধে চোখ হারানে খান জসীম, অদম্য মেধাবীদের প্রতিনিধি মহিউদ্দিন খান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের আপসহীনদের প্রতিনিধি হিসেবে আপ বাংলাদেশ, ইনকিলাব মঞ্চ, ছাত্রীদের প্রতিনিধি হিসেবে ৪জন নারী প্রার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতাসম্পন্ন সেরা মেধাবী শিক্ষার্থীদের সমন্বয়য়ে গঠিত এই প্যানেল প্রতিপক্ষের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। একারণেই এরকম একটি প্যানেলের বিজয়ের সম্ভবনা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি।
দ্বিতীয়ত : লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড
এবারের ডাকসু নির্বাচনে তুলনামূলকভাবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন কর্তৃপক্ষ। যদিও ছাত্রদলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য অংশীজনদের কাউকে না জানিয়ে নির্বাচন কমিশন মনোনয়নপত্র তোলা ও জমাদানের সময় ১দিন করে বাড়িয়ে বিতর্কিত হয়েছেন, তবুও এখন পর্যন্ত মোটামুটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন কর্তৃপক্ষ। এটা শিবিরের বিজয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। শেষ পর্যন্ত যদি এরকম অবস্থা টিকে থাকে, তাহলে শিবিরের প্যানেলের বিজয়ের সম্ভাবনাই বেশি।
তৃতীয়ত : নির্দলীয় শিক্ষার্থীদের নিরব সমর্থন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় অর্ধ লক্ষধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি নির্দলীয় শিক্ষার্থী। এদের ওপরেই নির্ভর করছে ডাকসুতে কারা জিতবে। শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মকান্ডের কারনে এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষাথীর নিরব সর্মন রয়েছে শিবিরের প্রতি। এবারের ডাকসুতে ৪০ হাজার ভোটারের মধ্যে নির্দলীয় ভোটারদের একটা বড় অংশ শিবিরের প্রতি সমর্থন জানাবে। সেই দিক থেকেও শিবিরের জেতার সম্ভাবনা বেশি।
চতুর্থত: জুলাই বিপ্লবের আপসহীন যোদ্ধা
চব্বিশের রক্তঝরা জুলাই বিপ্লবে চরম ত্যাগ ও কুরবানীর নজরানা পেশ করার মাধ্যমে আপসহীন যোদ্ধা হিসেবে শিবিরের সুনাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এজন্য চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের পক্ষের শক্তিগুলো শিবিরের প্যানেলকেই পছন্দের শীর্ষে রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পঞ্চমত: প্রতিপক্ষের দলীয় কোন্দল
দলীয় কোন্দলমুক্ত শিবিরের বিজয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করবে প্রতিপক্ষ ছাত্র সংগঠনগুলোর দলীয় কোন্দল। যেমন এখন পর্যন্ত দলীয় কোন্দলের কারনে শিবিরের প্রতিপক্ষরা প্যানেল ঘোষণা করতে না পারায় নির্বাচন কশিন তাদের সুযোগ করে দিতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দানের সময়সীমা বাড়িয়েছে। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসবে,শিবিরের প্রতিপক্ষ প্যানেলের দলীয় কোন্দল ততই বাড়বে। এটা শিবিরের বিজয়ের জন্য একটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
ষষ্টত : শিক্ষার্থীদের তিক্ত অভিজ্ঞতা
শতবর্ষের ইতিহাসে ডাকসু নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্মৃতিতে অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা জমে রয়েছে। ১শ বছর আগে ডাকসুর প্রথম ভিপি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ থেকে শুরু করে ২০১৯ সালে এসে সর্বশেষ ভিপি নুরুল হক নুর পর্যন্ত কারোই পারফরমেন্স তেমন সন্তোষজনক হয়ে উঠেনি। প্রতিশ্রুতির বিপরীতে শিক্ষার্থীরা বার বার ধোকা খেয়েছেন, প্রতারিত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, শিবির বিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলোর অস্ত্রের ঝনঝনানিও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মনে দাগ কেটে দিয়েছে।
যারা এক সময় ঢাকা বিশ্ববিশ্ববিদ্যলয়কে ‘ডাকাতদের গ্রাম’ বানিয়েছিল তাদেরকেও এবার শিক্ষার্থীরা বয়কট করতে পারেন। শিক্ষার্থীদের এসব তিক্ত অভিজ্ঞতা এবারের নির্বাচনে শিবিরের পক্ষে কাজ করবে। তাই সাধারণ শিক্ষার্থীরা এবার অন্যদের থেকে মুখ ফিরিয়ে শিবিরের দিকে ঘুরে দাঁড়াতে পারে।
এতোদিন শিবিরকে ঠেকিয়ে রাখতে প্রতিপক্ষরা যতো কৌশল এবং অপশক্তি ব্যবহার করেছে, তার সবটাই ব্যর্থ হয়েছে। সম্মিলত প্রতিপক্ষের প্রবল বাধা আর জুলুম নির্যাতন উপেক্ষা করে ক্যাম্পাসে টিকে থাকা শিবির প্রতিটা ফাগুনে দ্বীগুন হয়েছে। এবারের ডাকসু নির্বাচন তাই দেশ ও জাতির জন্য এক নতুন সম্ভাবনার জন্ম দিতে পারে বলে আশা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

দুই দেশের এক সেতু বন্ধন

অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হর্টিকালচারের সাথে এটিএন এডুকেশনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর

আব্দুল খালেক নান্নু
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হর্টিকালচারের সাথে এটিএন এডুকেশনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর

 

অস্ট্রেলিয়াতে বাংলাদেশীদের কৃষি বিষয়ের উপরে পড়াশোনার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন ,বাংলাদেশের প্রথম সারির স্বনামধন্য মাল্টি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান এটিএন গ্রুপের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এটিএন এডুকেশন এবং অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হার্টিকালচার।

শুধু তাই নয় বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক মানের এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ২১ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত এটিএন গ্রুপের চেয়ারম্যান ডক্টর মাহফুজুর রহমানের অফিস কক্ষে এক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে এ বিষয় নিয়ে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা করা হয়। এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন এটিএন এডুকেশন এর চেয়ারম্যান ড, মাহফুজুর রহমান ও অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হার্টিকালচার এর জেনারেল ম্যানেজার মিস্টার ব্রায়ান।

দ্বিপাক্ষিক এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে শুরু হয় দুই দেশের মধ্যে একটি কৃষিভিত্তিক শিক্ষার সেতুবন্ধন।

এই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন এটিএন এমসিএল ও এটিএন এডুকেশনের সিইও সাজেদুর রহমান মুনিম,
এটিএন এডুকেশন এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রোকসানা রিনি, ডিরেক্টর আনিসুর রহমান, ডিরেক্টর মোঃ মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

সবশেষে অস্ট্রেলিয়ান মিস্টার ব্রায়ান এটিএন গ্রুপের বিভিন্ন কর্মকর্তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

কানাডার টরেন্টোতে ৪ থেকে ৭সেপ্টেম্বর ৪দিন ব্যাপী

বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো ‘ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো ‘ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকার বাঙ্গালীদের প্রথম এবং জনপ্রিয় সংগঠন ফোবানা ফাউন্ডেশন, সংগঠনটির জন্মলগ্ন থেকেই বাংলাদেশের সর্বস্তরের স্বনামধন্য সব শিল্পী বৃন্দদের নিয়ে প্রতিবছরই জমকালো সব আয়োজন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে কানাডার টরেন্টোতে ২০২৬ এর ৪ই সেপ্টেম্বর থেকে ৭ই সেপ্টেম্বর ৪দিন ব্যাপী বাংলাদেশী শিল্পী, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের নিয়ে সম্মাননা প্রদান সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মেলার আয়োজন করতে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানটি উদযাপনের প্রাথমিক আলোচনার জন্য ফোবানা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ সোসাইটি এসসি – এর সভাপতি আবু জুবায়ের দারা এবং এটিএন এমসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুর রহমান মুনিম ঢাকায় বনানীর ফিশমার্ট রেস্টুরেন্টে শিল্পী কলাকৌশলী এবং উদ্যোক্তাদের নিয়ে বিশেষ আলোচনার আয়োজন করেন।

এই আলোচনায সভায় উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব, এটিএন বাংলার ট্রান্সমিশন উপদেষ্টা তাসিক আহমেদ, বাংলাদেশের সোসাইটি এসসি- এর সহ-সভাপতি আহমেদুর রহমান,এটিএন এডুকেশন এর নির্বাহী পরিচালক রোকসানা আখতার রিনি, সঙ্গীত শিল্পী আখি আলমগীর, ইমরান, সালমা, এস আই সুমন, তামান্না হক, লগ্না, ডলি,চলচ্চিত্র অভিনেতা সুমন মাহমুদ, চলচ্চিত্র শিশু শিল্পী টুনটুনি, নৃত্যশিল্পী সোহেল, মডেল এবং উপস্থাপিকা সালসাবিল, কোরিওগ্রাফার লুনা, মডেল পিউ, চলচ্চিত্র প্রযোজক মাহবুবা শাহরীন, আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা সম্পর্কিত আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন অতিথি গ্রুপের পরিচালক নুরুন্নবী চৌধুরী, উদ্যোক্ত ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর জাহাঙ্গীর আলম, নারী উদ্যোক্তা নাজমুন নাহার চৌধুরী, তানজিনা মিতু এবং ইসরাত ফারিবা।

ফোবানা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ সোসাইটি এসসি – এর সভাপতি আবু জুবায়ের দারা বলেন- ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে এবারের আয়োজন অতীতের সমগ্র আয়োজন হতে অন্যরকম এবং জাঁকজমক পূর্ণ হবে। যেখানে তিনি শিল্পী কলাকৌশলী, উদ্যোক্তা, গণমাধ্যম এবং পৃষ্ঠপোষকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

এটিএন এমসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুর রহমান মুনিম বলেন – এবারের আয়োজন খুব চ্যালেঞ্জিং, অতীতের মতো এবারও সকল চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করে একটি সফল অনুষ্ঠান উপহার দিতে পারবো ইনশাল্লাহ।

চলচ্চিত্র সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব বলেন – প্রবাসী বাঙ্গালীদের এই বৃহৎ মিলনমেলায় উপস্থিত থাকবো এটি অনেক আনন্দের। ৪০ তম ফোবানো উৎসবের ইভেন্ট পার্টনার এটিএন এমসিএল এবং মিডিয়া পার্টনার এটিএন বাংলা।

শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

বিভিন্ন দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থারত শিক্ষকদের ওপর অ্যাকশনে গেছে পুলিশ। রোববার সকাল থেকে রাস্তা অবরোধ করে অবস্থানের এক পর্যায়ে দুপুর পৌনে দুইটার দিকে তাদেরকে সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। শিক্ষকদেরকে ধাওয়া দিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নিয়ে যায়।

এসময় জাতীয় প্রেসক্লাব ও আশপাশের এলাকায় চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষকদের মাঝে। তারা বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে সরে পড়েন। প্রায় তিন ঘন্টা পর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে শিক্ষা উপদেষ্টার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, দেড় হাজার টাকা মেডিকেল ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচিতে নেমেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট।

সকাল ১০ টার পর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থান শুরু করেন শিক্ষকরা। সারা দেশ থেকে আসা ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষকের অবস্থানের কারণে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া জাতীয় প্রেসক্লাব, সচিবালয় ও মেট্রোরেলের প্রবেশ পথে সাধারণ মানুষের চলাচলও চরমভাবে বিঘ্ন হয়।

প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জোটের মহাসচিব দেলাওয়ার হোসেন আজিজী জানিয়েছেন। দাবি আদায়ে অবস্থান থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা আসতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের গত ১৩ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবের শিক্ষক সমাবেশে লক্ষাধিক শিক্ষক-কর্মচারী উপস্থিত ছিল। ওইদিন শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায করে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেসিকের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ দুই মাস পার হলেও প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ হন।

সূত্রমতে, শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে নতুন করে বাড়িভাড়া ভাতা ও মেডিক্যাল ভাতার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাবনা গত ৫ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এতে বাড়িভাড়া ২০ শতাংশ নির্ধারণে নতুন প্রস্তাব করা হয়। একইসঙ্গে কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ এবং চিকিৎসা ভাতা এক হাজার টাকার প্রস্তাব করেন শিক্ষা উপদেষ্টা।

অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হর্টিকালচারের সাথে এটিএন এডুকেশনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো 'ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবার কোরিয়ান জনপ্রিয় ডল ‘লা বু বু’ এর মডেল হলেন "এডলফ খান" রাসূল (সা.)-এর আদর্শ ও শিক্ষা অনুসরণে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব নারায়ণগঞ্জ ‎জেলা প্রশাসকের স্কুল পরিদর্শন: শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ সোনারগাঁয়ে ওস্তাদের শরীর মাসাজ না করায় রক্তাক্ত  মাদরাসা ছাত্র, থানায় অভিযোগ শেরপুর সরকারি কলেজে নবীনবরণ ও উদ্বোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত রাকসু নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪২ জন নির্বাচিত সিরাজগঞ্জে পিতাকে হত্যার ঘটনায় পুত্রের মৃত্যুদণ্ড