খুঁজুন
রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪ মাঘ, ১৪৩২

পিএসসি চেয়ারম্যানের সাথে সাক্ষাৎ করলেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের রূপকার সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
পিএসসি চেয়ারম্যানের সাথে সাক্ষাৎ করলেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের রূপকার সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক : কোটা সংস্কার আন্দোলনের রূপকার, দৈনিক ইনকিলাবের সিনিয়র সাংবাদিক ও জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ আবদুল অদুদ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে এক অনন্য নাম। ৫৬ শতাংশ কোটার কারণে তিনি বিসিএসে বঞ্চিত হয়ে ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি হাইকোর্টে যে রিট দায়ের হয়, তিনি সেই ঐতিহাসিক কোটা সংস্কার রিটের সংগঠক ও পিটিশনার। জুলাই বিপ্লবেও ছাত্র-জনতার পক্ষে যার ভূমিকা ছিল অতুলনীয়। যেহেতু কোটা আন্দোলন থেকেই জুলাই বিপ্লবের সূত্রপাত, সেহেতু অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে তাকে মূল্যায়ণের দাবি ছিল বিভিন্ন মহলের। সেই লক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মুনেমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় পিএসসির সচিব ড. সানোয়ার জাহান ভুইয়া ও বাংলাদেশ আনসারের অবসরপ্রাপ্ত উপমহাপরিচালক ড. ফোরকান উদ্দিন আহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

 

জানা গেছে, ৫৬% কোটার কারণে বিসিএসে বঞ্চিত হয়ে তিনি রিট দায়েরের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত করেন। রিটের আইনজীবী ছিলেন সুপ্রিমকোর্টের এডভোকেট ও হিউম্যান রাইটস এন্ড পীস ফর বাংরাদেশে-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এডভোকেট একলাছ উদ্দিন ভুইয়া। রিটে পিটিশনার হিসেবে তার সাথে আরো ছিলেন বাসসের চীফ রিপোর্টার মো. দিদারুল আলম দিদার ও তৎকালীন ঢাবি শিক্ষার্থী ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় নিয়োজিত আনিসুর রহমান মীর। সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল অদুদ ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে ‘কোটা সংস্কারের’ দাবিকে প্রতিষ্ঠিত করতে বা আন্দোলনে গণজোয়ার তৈরি করে আন্দোলনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কোটা সংস্কারের পক্ষে তার তৎকালীন কর্মস্থল দৈনিক আমাদের অর্থনীতিতে শত শত রিপোর্ট প্রকাশ করেন, যার মধ্যে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ঢাবি অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. এএসএম আতীকুর রহমান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপির সাবেক এমপি মরহুম অধ্যাপক মো. ইউনূস, শাম্মী আক্তার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরসহ দেশের অনেক বরেণ্য রাজনীতিক-বুদ্ধিজীবির সাক্ষাতকারও রয়েছে। ফলে একসময় আন্দোলনটি গণআন্দোলনে রূপ নেয়, যার নেপথ্য কারিগর হিসেবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল অদুদ ও তার সহযোগীরা।

আন্দোলনে সাফল্যের ধারাবাহিকতায় তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের সব ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া ছাত্রলীগ প্রার্থীকে হারিয়ে ডাকসুতে ভিপি নির্বাচিত হন নুরুল হক নূর। এমনকি ডাকসু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও মোহাম্মদ আবদুল অদুদ একটি ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখেন, যার প্রমাণও তৎকালীন পত্র-পত্রিকায় রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের মোজাফফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনে ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির এক আলোচনা সভায় তার ‘৩০ সেকেন্ডের প্রশ্নের উত্তর ৩০ মিনিটে’ দেন তৎকালীন ভিসি অধ্যাপক ড. আখরুজ্জামান। সেই ঐতিহাসিক প্রশ্নটি ছিল, আদালতের বাধ্যবাধকতায় কেন, আপনারা শিক্ষক হিসেবে নিজেদের নৈতিক অবস্থান ও দায়বদ্ধতা থেকে কেন ডাকসু নির্বাচনের উদ্যোগ নিলেন না? চমকে দেয়া সেই প্রশ্নের উত্তরে সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে ডাকসু নির্বাচন থেকে কোনোক্রমেই তিনি যে সরে যাবেন না, তার ঘোষণা দেন ভিসি ড. আখতারুজ্জামান। পরিস্কার কমিটমেন্ট করেন। ফলে ডাকসু নির্বাচন নিশ্চিত হয়। ‘ডাকসু নির্বাচন, আদালতের বাধ্যবাধকতায় কেন?’ শিরোনামে ১৯ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল অদুদের যৌক্তিক অবস্থান থেকে লেখা ক্ষুরধার একটি কলামও প্রকাশিত হয় আমাদের সময় ডট কম ও আমাদের নতুন সময়ে।

মোহাম্মদ আবদুল অদুদ জুলাই বিপ্লবের দিনগুলোতে ছাত্র-জনতার পক্ষে দিন-রাত এক করে দেশের তরে কাজ করেছেন, যেন কাঙ্খিত পরিবর্তন আসে। শিক্ষার্থীরা যেমন দেয়ালগুলো রাঙিয়েছিল, তিনিসহ তার সহকর্মীরা তেমনি ছাত্র-জনতার পক্ষে ইনকিলাবের পাতাগুলোকে রাঙিয়েছিলেন। এখনো বিশ্ববরেণ্য অর্থনীতিবিদ, শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বপক্ষে গণমাধ্যমে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

মেধা মননে অনন্য প্রতিভার অধিকারী মোহাম্মদ আবদুল অদুদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের স্বনামধন্য তিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ত্রিপল মাস্টার্স করেছেন, রাবির গণযোগাযোগ বিভাগ থেকে প্রথম স্থানও লাভ করেছেন। তিনি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের মূলধারার সাংবাদিকতায় নিয়োজিত থাকা দেশ-বিদেশের সাম্প্রতিক তথ্যের খোঁজ রাখা, ইংরেজিতে বিশেষ পারদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদানের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন দক্ষ মানুষ। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য হিসেবে বা যে কোনো মন্ত্রণালয়ের যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম। সাংবাদিকতা পেশায় দক্ষতার সর্বশেষ নজির হিসেবে তিনি গত ৫-১২ মে ২০২৪ তারিখে ৮ সদস্যের ‘বাংলাদেশি মিডিয়া ডেলিগেশনে’ পাকিস্তানের লাহোর, ইসলামাবাদ ও মারি সফরের সুযোগ লাভ করেন। তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সিনিয়র সদস্য, এক সময়ে ইউনিট চীফ, ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলে দু’বার নির্বাচিত নির্বাহী সদস্য ও বর্তমানে কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম অব ঢাকার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, সরকার নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের সার্কুলার দিলে ১৫ থেকে ২০টি রাজনৈতিক দল ও পেশাজীবি সংগঠন থেকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে তার নাম প্রস্তাবাকারে পাঠানো হয়। প্রস্তাব পাঠালেও বয়স ৫০ হয়নি বলে তাকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, প্রেসিডেন্ট হতে যেদেশে বয়স লাগে ৩৫ এবং প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হতে ন্যূনতম ২৫ বছর হলেই হয়, সেখানে নির্বাচন কমিশনার হতে ৫০ লাগবে কেন? হাসিনার আমলের আইন দিয়ে কেন এই নিয়োগ? কেন আগে আইন সংস্কার করা হলো না? সংস্কার কমিশনের কাজ শেষ না হতে হঠাৎ করে কেন এই নিয়োগ সম্পন্ন হলো? এসব প্রশ্ন তীর‌্যকভাবে তুলে ধরে ডেইলি স্টার একটি বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

এসব বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ‘আমি এসব কথা বাইরে বলতে চাই না। কারণ, আমি মনে-প্রাণে এই সরকারকে অউন করি। তবে আশঙ্কার বিষয় হলো, শত্রুপক্ষ জুলাই বিপ্লবের উত্তাল দিনগুলোতে আমার কর্মকান্ড কোনোভাবেই থামাতে না পেরে গুজব ছড়িয়ে দেয়, আমি নাকি হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া গুলিতে মারা গিয়েছি। অসংখ্য মানুষ আমার বাসায় আসে লাশ দেখতে। আমার অফিসসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে অনাকাঙ্খিত ফোন আসে। তাছাড়া, আমি বিভিন্ন সময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে যা বলছি, লিখছি এবং কোটা সংস্কার রিটের পিটিশনার হিসেবে আমার পরিচিতি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় আমার মনে ক্রমশঃ নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে দুঃশ্চিন্তা, উদ্বেগ, উৎকন্ঠা তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, চাওয়া পাওয়ার বিষয় নয়, দেশটাকে সুন্দরভাবে পরিচালিত করতে অনভিজ্ঞ অথবা বয়সের ভারে পারদর্শিতা দেখাতে অক্ষম কাউকে কাউকে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব না দিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সেগমেন্ট থেকে যোগ্য দেখে অন্ততঃ আরও দুজন উপদেষ্টা নিয়োগ দেয়া সময়ের যৌক্তিক দাবি। এক্ষেত্রে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর, ফারুক হাসান, রাশেদ খান, আল মামুন, আখতার হোসেন, বাকের মজুমদার ও আয়াতুল্লাহ বেহেশতী প্রমুখ তরুণদের থেকে দুয়েকজনকে বিবেচনা করা যেতে পারে।

জুলাই বিপ্লবের সূত্রপাত যেখান থেকে, সেই কোটা সংস্কার রিট পিটিশনারদের নেতা ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের আসল রূপকারকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে মূল্যায়ণ করলে দেশ এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন তার শিক্ষক ঢাবির সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রবীণ অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর ড. এএসএম আতীকুর রহমান, সাবেক পরিচালক ও সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী, জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম তামিজী ও মহাসচিব ব্যারিস্টার আফতাব উদ্দিন আহমদ প্রমুখ।

কেউ কেউ মনে করছেন, এখনও সময় আছে। উপদেষ্টা পরিষদে বা বিশেষ সহকারী হিসেবে কোটা সংস্কার আন্দোলনের রূপকার সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল অদুদকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। যিনি আন্দোলনটির গোড়াপত্তন করলেন, তাকে এখনও পাশ কাটিয়ে যাওয়া নিঃসন্দেহে অনুচিত মনে করেন তারা। সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল অদুদকে মূল্যায়ণের দাবি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মহল থেকে উঠে আসে। সম্প্রতি সিদ্ধিরগঞ্জের সাহেবপাড়ায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এমনই দাবি করেন গণ অধিকার পরিষদের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মুখপাত্র ফারুক হাসান, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার রিটের অন্যতম পিটিশনার, ঢাবির সাবেক ছাত্র আনিসুর রহমান মীর, স্থানীয় শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব বেল্লাল হোসেনসহ অন্যান্যরা। একই দাবিতে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের কাছে কোটা সংস্কার আন্দোলন ও জুলাই বিপ্লবে তার অবদানের পেপারকাটিংসম্বলিত ডকুমেন্টারি তুলে দেন ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলের নেতৃবৃন্দ। দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতিরোধ, পাঠ্যপুস্তক না দিতে পারাসহ নানা বিষয়ে সরকার সমালোচনা এড়াতে ও বঞ্চিতদের আহাজারি কমাতে কোটা আন্দোলনের রূপকার এই ভাষাসৈনিক সন্তানকে অন্তর্বর্তী সরকারে অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের সাহসী ও সঠিক পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কানাডার টরেন্টোতে ৪ থেকে ৭সেপ্টেম্বর ৪দিন ব্যাপী

বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো ‘ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো ‘ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকার বাঙ্গালীদের প্রথম এবং জনপ্রিয় সংগঠন ফোবানা ফাউন্ডেশন, সংগঠনটির জন্মলগ্ন থেকেই বাংলাদেশের সর্বস্তরের স্বনামধন্য সব শিল্পী বৃন্দদের নিয়ে প্রতিবছরই জমকালো সব আয়োজন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে কানাডার টরেন্টোতে ২০২৬ এর ৪ই সেপ্টেম্বর থেকে ৭ই সেপ্টেম্বর ৪দিন ব্যাপী বাংলাদেশী শিল্পী, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের নিয়ে সম্মাননা প্রদান সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মেলার আয়োজন করতে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানটি উদযাপনের প্রাথমিক আলোচনার জন্য ফোবানা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ সোসাইটি এসসি – এর সভাপতি আবু জুবায়ের দারা এবং এটিএন এমসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুর রহমান মুনিম ঢাকায় বনানীর ফিশমার্ট রেস্টুরেন্টে শিল্পী কলাকৌশলী এবং উদ্যোক্তাদের নিয়ে বিশেষ আলোচনার আয়োজন করেন।

এই আলোচনায সভায় উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব, এটিএন বাংলার ট্রান্সমিশন উপদেষ্টা তাসিক আহমেদ, বাংলাদেশের সোসাইটি এসসি- এর সহ-সভাপতি আহমেদুর রহমান,এটিএন এডুকেশন এর নির্বাহী পরিচালক রোকসানা আখতার রিনি, সঙ্গীত শিল্পী আখি আলমগীর, ইমরান, সালমা, এস আই সুমন, তামান্না হক, লগ্না, ডলি,চলচ্চিত্র অভিনেতা সুমন মাহমুদ, চলচ্চিত্র শিশু শিল্পী টুনটুনি, নৃত্যশিল্পী সোহেল, মডেল এবং উপস্থাপিকা সালসাবিল, কোরিওগ্রাফার লুনা, মডেল পিউ, চলচ্চিত্র প্রযোজক মাহবুবা শাহরীন, আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা সম্পর্কিত আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন অতিথি গ্রুপের পরিচালক নুরুন্নবী চৌধুরী, উদ্যোক্ত ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর জাহাঙ্গীর আলম, নারী উদ্যোক্তা নাজমুন নাহার চৌধুরী, তানজিনা মিতু এবং ইসরাত ফারিবা।

ফোবানা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ সোসাইটি এসসি – এর সভাপতি আবু জুবায়ের দারা বলেন- ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে এবারের আয়োজন অতীতের সমগ্র আয়োজন হতে অন্যরকম এবং জাঁকজমক পূর্ণ হবে। যেখানে তিনি শিল্পী কলাকৌশলী, উদ্যোক্তা, গণমাধ্যম এবং পৃষ্ঠপোষকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

এটিএন এমসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুর রহমান মুনিম বলেন – এবারের আয়োজন খুব চ্যালেঞ্জিং, অতীতের মতো এবারও সকল চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করে একটি সফল অনুষ্ঠান উপহার দিতে পারবো ইনশাল্লাহ।

চলচ্চিত্র সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব বলেন – প্রবাসী বাঙ্গালীদের এই বৃহৎ মিলনমেলায় উপস্থিত থাকবো এটি অনেক আনন্দের। ৪০ তম ফোবানো উৎসবের ইভেন্ট পার্টনার এটিএন এমসিএল এবং মিডিয়া পার্টনার এটিএন বাংলা।

শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

বিভিন্ন দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থারত শিক্ষকদের ওপর অ্যাকশনে গেছে পুলিশ। রোববার সকাল থেকে রাস্তা অবরোধ করে অবস্থানের এক পর্যায়ে দুপুর পৌনে দুইটার দিকে তাদেরকে সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। শিক্ষকদেরকে ধাওয়া দিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নিয়ে যায়।

এসময় জাতীয় প্রেসক্লাব ও আশপাশের এলাকায় চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষকদের মাঝে। তারা বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে সরে পড়েন। প্রায় তিন ঘন্টা পর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে শিক্ষা উপদেষ্টার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, দেড় হাজার টাকা মেডিকেল ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচিতে নেমেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট।

সকাল ১০ টার পর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থান শুরু করেন শিক্ষকরা। সারা দেশ থেকে আসা ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষকের অবস্থানের কারণে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া জাতীয় প্রেসক্লাব, সচিবালয় ও মেট্রোরেলের প্রবেশ পথে সাধারণ মানুষের চলাচলও চরমভাবে বিঘ্ন হয়।

প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জোটের মহাসচিব দেলাওয়ার হোসেন আজিজী জানিয়েছেন। দাবি আদায়ে অবস্থান থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা আসতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের গত ১৩ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবের শিক্ষক সমাবেশে লক্ষাধিক শিক্ষক-কর্মচারী উপস্থিত ছিল। ওইদিন শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায করে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেসিকের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ দুই মাস পার হলেও প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ হন।

সূত্রমতে, শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে নতুন করে বাড়িভাড়া ভাতা ও মেডিক্যাল ভাতার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাবনা গত ৫ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এতে বাড়িভাড়া ২০ শতাংশ নির্ধারণে নতুন প্রস্তাব করা হয়। একইসঙ্গে কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ এবং চিকিৎসা ভাতা এক হাজার টাকার প্রস্তাব করেন শিক্ষা উপদেষ্টা।

শোবিজ

এবার কোরিয়ান জনপ্রিয় ডল ‘লা বু বু’ এর মডেল হলেন “এডলফ খান”

জুবায়ের সাকিব | স্টাফ রিপোর্টার (বিনোদন ডেস্ক)
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ
এবার কোরিয়ান জনপ্রিয় ডল ‘লা বু বু’ এর মডেল হলেন “এডলফ খান”

বাংলাদেশের জনপ্রিয় তারকা এডলফ খান আবারো বিশ্ব অঙ্গনে তার ভক্তদের চমকে দিলেন এক অনন্য অর্জনের মাধ্যমে। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও আলোচিত কোরিয়ান পুতুল ‘লা বু বু ডল (LA BU BU)’-এর মডেল হিসেবে এবার তাকে দেখা যাবে; যা কেবল বাংলাদেশ নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে।

কোরিয়া, ইউরোপ, এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ‘লা বু বু ডল’ এখন টিনএজার এবং কেপপ (KPOP) অনুরাগীদের কাছে এক অদ্ভুত ক্রেজ। বিশেষ করে BTS (방탄소년단) ভক্তদের কাছে এটি এখন এক ফ্যাশন আইকন ও কালেক্টরস ড্রিম। এতদিন পর্যন্ত এই প্রজেক্টে বলিউড ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের তারকারা যুক্ত ছিলেন, আর এবার সেই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন বাংলাদেশের এডলফ খান।

সম্প্রতি দেশের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘Ghorar dim-toy BD’-এর আয়োজনে এই আন্তর্জাতিক প্রজেক্টের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। পুরো শুটিং টিমে ছিলেন জাতীয় পর্যায়ের পেশাদার ফটোগ্রাফার, মেকআপ আর্টিস্ট, ও কনসেপ্ট ডিজাইনাররা। এডলফ খানের প্রতিটি লুকে তাকে সম্পূর্ণ কোরিয়ান চরিত্রে রূপান্তরিত করা হয়, যা তাকে আরো অনন্য করে তুলেছে।

এডলফ খান জানান,

“এই প্রজেক্টে কাজ করা আমার জন্য এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। পুরো টিমের পেশাদারিত্ব এবং যত্ন আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি বিশ্বাস করি, আমার ভক্তরা ‘লা বু বু ডল’-এর এই নতুন কোরিয়ান-অনুপ্রাণিত চরিত্রটিকে ভালোবাসবেন।”

তার কোরিয়ান লুক এবং এক্সপ্রেশনকে ঘিরে ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মন্তব্য করছেন, “এডলফ খান হচ্ছেন বাংলাদেশের প্রথম কোরিয়ান-লুক মডেল যিনি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের ফিগার রূপে আত্মপ্রকাশ করছেন।”

আগামীকাল সন্ধ্যায় প্রকাশ পাচ্ছে ‘লা বু বু ডল’-এর ফার্স্ট লুক, যা ঘিরে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উত্তেজনা ও আগ্রহ।

এই প্রজেক্টের মাধ্যমে এডলফ খান শুধু নিজের জনপ্রিয়তাকেই নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাননি, বরং প্রমাণ করেছেন বাংলাদেশের শিল্পীরাও আজ গ্লোবাল ব্র্যান্ডিং, মডেলিং ও ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।

বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো 'ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবার কোরিয়ান জনপ্রিয় ডল ‘লা বু বু’ এর মডেল হলেন "এডলফ খান" রাসূল (সা.)-এর আদর্শ ও শিক্ষা অনুসরণে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব নারায়ণগঞ্জ ‎জেলা প্রশাসকের স্কুল পরিদর্শন: শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ সোনারগাঁয়ে ওস্তাদের শরীর মাসাজ না করায় রক্তাক্ত  মাদরাসা ছাত্র, থানায় অভিযোগ শেরপুর সরকারি কলেজে নবীনবরণ ও উদ্বোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত রাকসু নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪২ জন নির্বাচিত সিরাজগঞ্জে পিতাকে হত্যার ঘটনায় পুত্রের মৃত্যুদণ্ড বেনাপোলে ২৭ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ