খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২২ মাঘ, ১৪৩২

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ৮২৫ বছর পূর্বের মুঘল আমলের হারুলিয়া মসজিদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫, ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ৮২৫ বছর পূর্বের মুঘল আমলের হারুলিয়া মসজিদ

 মাঈন উদ্দিন সরকার রয়েল, কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ জনশ্রুতি রয়েছে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলায় ৮২৫ বছর পূর্বে মুঘল আমলে নির্মিত হয়েছিল মোজাফরপুর ইউনিয়নের হারুলিয়া মসজিদ। এটি একটি মুঘল আমলের প্রাচীন মসজিদ। চলতি বছরে মসজিদটির বয়স ৮২৫ বছর অতিবাহিত হচ্ছে।
তবে এ মসজিদকে ঘিরে এলাকার মানুষের মুখে রয়েছে নানা জনশ্রুতি। মসজিদ নির্মাণের ইতিহাস নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে রয়েছে ভিন্ন মত।

মসজিদের প্রবীণ মুসল্লি ও স্থানীয়রা জানান, মুঘল আমলে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজির স্নেহধন্য শাইখ মুহাম্মদ ইয়ার নামে এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি ১২০০ খ্রিষ্টাব্দে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে মসজিদের প্রধান দরজার সামনে থাকা একটি কালো পাথরে ফার্সি ভাষায় শাইখ মোহাম্মদ ইয়ারের নাম এবং মসজিদটির প্রতিষ্ঠা সাল ১২০০ খ্রিস্টাব্দ খোদাই করে লেখা রয়েছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে, শাইখ মুহাম্মদ ইয়ারই মসজিদটি প্রতিষ্ঠাতা করেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাত শতাংশ ভূমির উপর নির্মিত এ মসজিদের চারকোনায় বিভিন্ন কারুকাজসম্বলিত চারটি বড় বড় পিলার রয়েছে। উপরের অংশে কলসি আকৃতির বেশ কয়েকটি গম্বুজ রয়েছে।

মসজিদের ছাদজুড়ে রয়েছে বিশাল একটি গম্বুজ। মসজিদের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণে তিনটি লম্বা আকারের দরজা রয়েছে। পোড়ামাটি, লালি, চুন, চিনি, চিটাগুড়, আঠা জাতীয় তরল এবং এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে নির্মাণ করা মসজিদজুড়ে রয়েছে নানা নকশা ও কারুকাজ।  হাওর-বাওর,  ইতিহাস, ঐতিহ্যে ভরপুর কেন্দুয়া উপজেলায় রয়েছে বহু পুরনো স্থাপত্যের নিদর্শন। মুঘল স্থাপত্যের এমনই এক নিদর্শন নেত্রকোনার ‘হারুলিয়া মসজিদ’।
তবে এই মসজিদের সঠিক ইতিহাস এখনও অজানা স্থানীয়দের কাছে। এই মসজিদটি গাইনের মসজিদ নামেও পরিচিতি। এমন ছোট  চার মিনারের মসজিটি কি কারনে কোন সময় করা হয়েছিলো এর কোন দালিলিক প্রমাণ না থাকলেও স্থানীয়দের দাবী এটি ১২০০ খ্রীস্টাব্দে তৈরী। তবে গবেষকদের মতে, এই মসজিদটি কোনভাবেই ১২০০ খ্রীষ্টাব্দের নয়। বরং এটি ১৭০০ খ্রীষ্টাব্দের পরে নির্মিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

এলাকাবাসীর সাথে আলাপ করে জানা যায়, এই মসজিদে একটি পাথর ছিলো যা অনেকদিন আগে চুরি হয়ে যায়। সেটিতে আরবিতে একটি সন লিখা ছিলো। তারা হিজরি ওই সনটি হিসেবে করে ১২০০ খ্রীস্টাব্দ বের করেন। মসজিদের তৎকালীন  ইমাম মো. নিজাম উদ্দিন  বহুদিন আগে জানিয়েছিলেন, এই মসজিদের পুরাতন ইমাম ঐ পাথরটি দেখেছেন। তিনি বলেছেন, চুরি হওয়া পাথরটির ভেতরে আরবি ফারসি ভাষায়  লেখা অনুযায়ী ১২০০ খ্রিস্টাব্দ  উল্লেখ আছে। তবে এই মসজিদটি নিয়ে আজো পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন উদ্যোগ বা গবেষণা না থাকায় সঠিক ইতিহাস এখনো অনাবিষ্কৃতই রয়ে গেছে।
গবেষক আলী আহম্মদ খান আইয়োব তাঁর “নেত্রকোনা জেলার ইতিহাস “গ্রন্থে লিখেছেন, “রোয়াইলবাড়ি থেকে ৮/৯ কিলোমিটার দূরে পরিখা বেষ্টিত জাফরপুর গ্রামের ধ্বংস প্রাপ্ত মসজিদের ইটের নক্সা ও কারুকাজ রোয়াইলবাড়ি মসজিদের ইট ও কারুকাজ একই রকম। এতে মনে হয় এ দু’টি মসজিদ একই সময়ে স্থাপিত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক একেএম খাদেমুল হক বহুদিন পূর্বে গন্যমাধ্যমে বলেছিলেন, ” ছবিতে যে ভবনটি দেখা যাচ্ছে, সেটি দৃশ্যত মুঘল আমলের টেকনোলজিতে তৈরি। মুঘল আমলে এই রকম এক গম্বুজ বিশিষ্ট অত্যন্ত ছোট পরিসরের অনেক মসজিদ নির্মাণ করা হয়।

তিনি বলেন, প্রকাশিত সংবাদে যে শিলালিপির কথা বলা হয়েছে, সেটার কোনো ছবিও যদি পাওয়া যেত, তাহলে ভালো হতো। জানার চেষ্টা করা যেত, সালটা খ্রিস্টাব্দ ১২০০ না ১২০০ হিজরি (১৭৮৫/৮৬ খ্রি.) ঠিক এই সময়েই পূর্ব বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে এ রকম অনেক ছোট ছোট মসজিদ নির্মিত হয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, শিলালিপির ভাষা ফারসি হওয়াটাও মুঘল আমলের কথাই নির্দেশ করে; সতেরো শতকে মুঘলরা আসার আগের সব শিলালিপির ভাষা আরবি ছিলো।

এলাকাবাসীর ধারণা অনুযায়ী, মুঘল আমলে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজীর শাসনকালে এ মসজিদ নির্মিত হয়েছে। উপমহাদেশে তৎকালীন সময় নির্মিতব্য আটটি মসজিদের মধ্যে এটি একটি। গ্রামবাসী এটিকে হারুলিয়া দক্ষিণপাড়া পুরাতন জামে মসজিদ বলে চেনে। তবে অযত্ন আর অবহেলায় ক্রমান্বয়ে ধ্বংস হতে চলেছে বহু বছরের পুরনো মুসলিম স্থাপত্যের এই নিদর্শন।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, অনেকদিন রাতের আঁধারে কে বা কারা মসজিদের ভেতরে ঢুকে ফার্সিতে লেখাযুক্ত একটি বহু মূল্যবান ছয়-সাত কেজি ওজনের কষ্টি পাথর চুরি করে নিয়ে যায়। তখনকার সময়ের কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তখন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিলেন, কিন্তু সেই পাথর আজও উদ্ধার করা যায়নি। মসজিদটির সামনে রয়েছে বিশালাকার জালিয়ার হাওর।

বর্তমানে নান্দনিক ছোট এই মসজিদকে বাড়িয়ে স্থানীয়রা একটি পাকা মসজিদ করেছেন। এদিকে পাথর চুরির পরেই তারা বুঝতে পেরেছেন যে এই মসজিদের কোন ইতিহাস বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছিলো পাথরে। অথবা অনেক দামী ছিলো পাথরটি।

তবে কেউ কেউ বলছেন, এ এলাকায় হাওর বাওর নদী থাকায় বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন নৌকায় বাণিজ্য করতে আসতেন। তখনকার সময়ে এই গ্রামে কোন মানুষ ছিলো না। জঙ্গলাকীর্ণ  ও হাওরবেষ্টিত হওয়ায় হয়তো নামাজ বা বিশ্রামের জন্য কোন সওদাগর এটি বানিয়ে থাকতে পারেন। আবার বসতি স্থাপনের জন্য গ্রামটিতে এই স্থাপনা করেছিলেন বলে জানান অনেকেই। অনেকের ধারনা এ এলাকার পুর্বপুরষদের মধ্যে তেমন নামাজের প্রচলন ছিলো না বলে জানা গেছে। এই অঞ্চলে ধর্ম প্রচারের জন্যও কেউ  এটি স্থাপন করে থাকতে পারেন।

স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, মুঘল আমলে নির্মিত এ সুপ্রাচীন মসজিদটি ইসলামি ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। তারা নানা পুঁথি পড়ে জেনেছেন মুঘলদের রাজত্বকালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির অত্যন্ত স্নেহধন্য শাইখ মুহাম্মদ ইয়ার নামে এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি ১২০০ খ্রিস্টাব্দে এ এলাকায় আসার পর মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন।

অনেক গবেষকের মতে” মসজিদের স্থাপত্যিক বৈশিষ্ট্য দেখে এটাকে কোন ভাবেই সুলতানী আমলের প্রাথমিক সময়ের মসজিদ মনে হচ্ছেনা, বরং মুঘল আমলের মসজিদই বেশি মনে হচ্ছে। তাছাড়া ১২০০ সালে নাকি ১২০০ হিজরী এই তথ্যটি খতিয়ে দেখা উচিত। কেউ কেউ মনে করেন এটি ১৭০০ সালের পরে নির্মিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।”

নেত্রকোনা জেলার তথা দেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদ সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের অভাবে তার জৌলুস হারিয়ে ক্রমশ জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। দ্রুততম সময়ে সংস্কার না করতে পারলে হারিয়ে যেতে পারে মুঘল আমলের ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদ। এটিকে সরকারী ভাবে এটিকে রক্ষনাবেক্ষণসহ সঠিক তথ্য উদঘাটনের জন্য সচেতন মহল দাবী করেছেন।

দুই দেশের এক সেতু বন্ধন

অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হর্টিকালচারের সাথে এটিএন এডুকেশনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর

আব্দুল খালেক নান্নু
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হর্টিকালচারের সাথে এটিএন এডুকেশনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর

 

অস্ট্রেলিয়াতে বাংলাদেশীদের কৃষি বিষয়ের উপরে পড়াশোনার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন ,বাংলাদেশের প্রথম সারির স্বনামধন্য মাল্টি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান এটিএন গ্রুপের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এটিএন এডুকেশন এবং অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হার্টিকালচার।

শুধু তাই নয় বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক মানের এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ২১ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত এটিএন গ্রুপের চেয়ারম্যান ডক্টর মাহফুজুর রহমানের অফিস কক্ষে এক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে এ বিষয় নিয়ে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা করা হয়। এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন এটিএন এডুকেশন এর চেয়ারম্যান ড, মাহফুজুর রহমান ও অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হার্টিকালচার এর জেনারেল ম্যানেজার মিস্টার ব্রায়ান।

দ্বিপাক্ষিক এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে শুরু হয় দুই দেশের মধ্যে একটি কৃষিভিত্তিক শিক্ষার সেতুবন্ধন।

এই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন এটিএন এমসিএল ও এটিএন এডুকেশনের সিইও সাজেদুর রহমান মুনিম,
এটিএন এডুকেশন এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রোকসানা রিনি, ডিরেক্টর আনিসুর রহমান, ডিরেক্টর মোঃ মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

সবশেষে অস্ট্রেলিয়ান মিস্টার ব্রায়ান এটিএন গ্রুপের বিভিন্ন কর্মকর্তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

কানাডার টরেন্টোতে ৪ থেকে ৭সেপ্টেম্বর ৪দিন ব্যাপী

বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো ‘ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো ‘ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকার বাঙ্গালীদের প্রথম এবং জনপ্রিয় সংগঠন ফোবানা ফাউন্ডেশন, সংগঠনটির জন্মলগ্ন থেকেই বাংলাদেশের সর্বস্তরের স্বনামধন্য সব শিল্পী বৃন্দদের নিয়ে প্রতিবছরই জমকালো সব আয়োজন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে কানাডার টরেন্টোতে ২০২৬ এর ৪ই সেপ্টেম্বর থেকে ৭ই সেপ্টেম্বর ৪দিন ব্যাপী বাংলাদেশী শিল্পী, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের নিয়ে সম্মাননা প্রদান সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মেলার আয়োজন করতে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানটি উদযাপনের প্রাথমিক আলোচনার জন্য ফোবানা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ সোসাইটি এসসি – এর সভাপতি আবু জুবায়ের দারা এবং এটিএন এমসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুর রহমান মুনিম ঢাকায় বনানীর ফিশমার্ট রেস্টুরেন্টে শিল্পী কলাকৌশলী এবং উদ্যোক্তাদের নিয়ে বিশেষ আলোচনার আয়োজন করেন।

এই আলোচনায সভায় উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব, এটিএন বাংলার ট্রান্সমিশন উপদেষ্টা তাসিক আহমেদ, বাংলাদেশের সোসাইটি এসসি- এর সহ-সভাপতি আহমেদুর রহমান,এটিএন এডুকেশন এর নির্বাহী পরিচালক রোকসানা আখতার রিনি, সঙ্গীত শিল্পী আখি আলমগীর, ইমরান, সালমা, এস আই সুমন, তামান্না হক, লগ্না, ডলি,চলচ্চিত্র অভিনেতা সুমন মাহমুদ, চলচ্চিত্র শিশু শিল্পী টুনটুনি, নৃত্যশিল্পী সোহেল, মডেল এবং উপস্থাপিকা সালসাবিল, কোরিওগ্রাফার লুনা, মডেল পিউ, চলচ্চিত্র প্রযোজক মাহবুবা শাহরীন, আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা সম্পর্কিত আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন অতিথি গ্রুপের পরিচালক নুরুন্নবী চৌধুরী, উদ্যোক্ত ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর জাহাঙ্গীর আলম, নারী উদ্যোক্তা নাজমুন নাহার চৌধুরী, তানজিনা মিতু এবং ইসরাত ফারিবা।

ফোবানা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ সোসাইটি এসসি – এর সভাপতি আবু জুবায়ের দারা বলেন- ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে এবারের আয়োজন অতীতের সমগ্র আয়োজন হতে অন্যরকম এবং জাঁকজমক পূর্ণ হবে। যেখানে তিনি শিল্পী কলাকৌশলী, উদ্যোক্তা, গণমাধ্যম এবং পৃষ্ঠপোষকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

এটিএন এমসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুর রহমান মুনিম বলেন – এবারের আয়োজন খুব চ্যালেঞ্জিং, অতীতের মতো এবারও সকল চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করে একটি সফল অনুষ্ঠান উপহার দিতে পারবো ইনশাল্লাহ।

চলচ্চিত্র সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব বলেন – প্রবাসী বাঙ্গালীদের এই বৃহৎ মিলনমেলায় উপস্থিত থাকবো এটি অনেক আনন্দের। ৪০ তম ফোবানো উৎসবের ইভেন্ট পার্টনার এটিএন এমসিএল এবং মিডিয়া পার্টনার এটিএন বাংলা।

শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

বিভিন্ন দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থারত শিক্ষকদের ওপর অ্যাকশনে গেছে পুলিশ। রোববার সকাল থেকে রাস্তা অবরোধ করে অবস্থানের এক পর্যায়ে দুপুর পৌনে দুইটার দিকে তাদেরকে সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। শিক্ষকদেরকে ধাওয়া দিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নিয়ে যায়।

এসময় জাতীয় প্রেসক্লাব ও আশপাশের এলাকায় চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষকদের মাঝে। তারা বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে সরে পড়েন। প্রায় তিন ঘন্টা পর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে শিক্ষা উপদেষ্টার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, দেড় হাজার টাকা মেডিকেল ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচিতে নেমেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট।

সকাল ১০ টার পর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থান শুরু করেন শিক্ষকরা। সারা দেশ থেকে আসা ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষকের অবস্থানের কারণে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া জাতীয় প্রেসক্লাব, সচিবালয় ও মেট্রোরেলের প্রবেশ পথে সাধারণ মানুষের চলাচলও চরমভাবে বিঘ্ন হয়।

প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জোটের মহাসচিব দেলাওয়ার হোসেন আজিজী জানিয়েছেন। দাবি আদায়ে অবস্থান থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা আসতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের গত ১৩ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবের শিক্ষক সমাবেশে লক্ষাধিক শিক্ষক-কর্মচারী উপস্থিত ছিল। ওইদিন শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায করে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেসিকের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ দুই মাস পার হলেও প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ হন।

সূত্রমতে, শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে নতুন করে বাড়িভাড়া ভাতা ও মেডিক্যাল ভাতার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাবনা গত ৫ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এতে বাড়িভাড়া ২০ শতাংশ নির্ধারণে নতুন প্রস্তাব করা হয়। একইসঙ্গে কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ এবং চিকিৎসা ভাতা এক হাজার টাকার প্রস্তাব করেন শিক্ষা উপদেষ্টা।

অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হর্টিকালচারের সাথে এটিএন এডুকেশনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো 'ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবার কোরিয়ান জনপ্রিয় ডল ‘লা বু বু’ এর মডেল হলেন "এডলফ খান" রাসূল (সা.)-এর আদর্শ ও শিক্ষা অনুসরণে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব নারায়ণগঞ্জ ‎জেলা প্রশাসকের স্কুল পরিদর্শন: শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ সোনারগাঁয়ে ওস্তাদের শরীর মাসাজ না করায় রক্তাক্ত  মাদরাসা ছাত্র, থানায় অভিযোগ শেরপুর সরকারি কলেজে নবীনবরণ ও উদ্বোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত রাকসু নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪২ জন নির্বাচিত সিরাজগঞ্জে পিতাকে হত্যার ঘটনায় পুত্রের মৃত্যুদণ্ড