ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস -মাহেন্দ্র মুখোমুখি সংঘর্ষে পিতা পুত্র সহ ৫ জন নিহত
ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার বাবলা তলা নামাস্থানে বাস-মাহিন্দ্রা মুখোমুখি সংঘর্ষে পিতা-পুত্র সহ ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৪ জন।
বুধবার ( ৪ জুন) সকালে বাবলা তলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের চৌকিঘাটা গ্রামের লতিফ মাতুব্বরের ছেলে মিজানুর মাতুব্বর (৫০), মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার ইব্রাহীম সর্দার (৭০) ও তার ছেলে মনির সর্দার (৪০), একই এলাকার বাদশা মিয়ার ছেলে তারা মিয়া (৫০) ও অজ্ঞাত (৪৫)।
নিহতদের সবাই গরুর ব্যবসায়ে জড়িত। তারা একটি থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রায় চড়ে টেকেরহাট গরুর হাটের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।
ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল একটি বাস। মাহিন্দ্রা গাড়িটি টেকেরহাটের দিকে যাচ্ছিল। গাড়ি দুটি বাবলা তলা এলাকায় পৌঁছালে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মাহিন্দ্রার পাঁচ যাত্রী নিহত হন। আহত হন কমপক্ষে আরও চারজন। খবর পেয়ে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ ও ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে। আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা আবু জাফর গণমাধ্যমকে জানান, মঙ্গলবার সকাল ৬টা ৫২ মিনিটের দিকে বাবলাতলা বাসস্ট্যান্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মাহিন্দ্রাটি ভাঙ্গা থেকে মাদারীপুরের টেকেরহাটের দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে বরিশাল থেকে মিজান পরিবহনের বাসটি ঢাকায় যাচ্ছিল। বাবলাতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যানবাহন দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাহিন্দ্রাটি সড়কে উল্টে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ৪ জনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও একজন মারা যান।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রোকিবুজ্জামান জানান, আজ সকাল সাড়ে ৭ টায় বাবলা তলা নামক স্থানে বাস- মাহেন্দ্র সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হয়েছে। নিহতরা গরু ব্যবসায়ী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তারা গরু কেনার জন্য টেকেরহাটের দিকে যাচ্ছিল। পুলিশ ঘাতক বাসটিকে আটক করেছে তবে চালক পালিয়ে গেছে।








আপনার মতামত লিখুন