সাভারে পুত্রবধূকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে শশুর আটক
সাভারে যৌতুকের টাকা না পেয়ে ধর্ষণের পর পুত্রবধূকে হত্যার অভিযোগে শশুরকে আটক করেছে পুলিশ।নিহতের নাম লতা বেগম (২১)।
শনিবার (১৪জুন) দুপুরে সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের তেঁতুলঝোড়া এলাকার সোলেমান মিয়ার একটি দোতলা ভবনের একটি রুম থেকে নিহতের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
প্রতিবেশীরা জানায়, গত এক বছর আগে সেলিম নামের এক যুবকের সাথে বিশ বছর বয়সী লতার বিয়ে হয়। বিয়ের পরে তারা সোলেমান মিয়ার এই দোতলা বাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। এসময় একই বাড়িতে নিহত লতার বাবা-মা ও ছেলের বাবা-মাও রুম ভাড়া নিয়ে থাকতো। বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই কয়েক লাখ টাকা যৌতুকের জন্য স্বামী সেলিম ও শ্বশুর মাসুদ মিয়া চাপ দিচ্ছিল লতার উপর। গতকাল ১৩জুন রাতে আবারো যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দেয় লতাকে পরে টাকা না পেয়ে শ্বশুর পুত্রবধূ লতাকে ঘরের মধ্যে প্রথমে ধর্ষণ করে পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এসময় নিহত লতার শশুরের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় নখের আঘাতের চিহ্ন দেখে ধারণা করা যায় লতা বাঁচার জন্য তার শশুরের শরীরে আঘাত করেন। কিন্তু আঘাত করেও তিনি মৃত্যুর কাছে হেরে যান।
পরে প্রতিবেশীরা দুপুরে ঘরের মধ্যে লতা বেগমের ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখে সাভার মডেল থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে লতার লাশ উদ্ধার করে ।
এসময় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী হত্যাকারী লতা বেগমের শ্বশুর মাসুদ মিয়াকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করলে পুলিশ দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মোটরসাইকেল যোগে থানায় নিয়ে যান।
এদিকে নিহত লতার বাবা আব্দুস সালাম বলেন, চারজন মিলে তার মেয়েকে ধর্ষণের পরে হত্যা করেছে। এঘটনার পর থেকে লতা বেগমের স্বামী সেলিম মিয়া পলাতক রয়েছে।
এবিষয়ে সাভার মডেল থানার ট্যানারি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সবুজ বলেন, লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে এবং নিহতের স্বামীকে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়া এ হত্যাকাণ্ডে আরো অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা সে বিষয়টিও তদন্ত করা হচ্ছে।








আপনার মতামত লিখুন