খুঁজুন
শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৩ মাঘ, ১৪৩২

বগুড়ায় বিশাল উলামা সম্মেলনে আগামী নির্বাচনে

ইসলামপন্থীদের জন্য সর্বোচ্চ আসনে ছাড় দিতে প্রস্তুত জামায়াত

মোছাব্ব্বর হাসান মুসা বগুড়া জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
ইসলামপন্থীদের জন্য সর্বোচ্চ আসনে ছাড় দিতে প্রস্তুত জামায়াত

দেশের সকল ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল ও পীর-মাশায়েখদের নিয়ে বৃহত্তর ঐক্য গড়ার চেষ্ট চলছে উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রিয় সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ইসলামপন্থীদের জন্য সর্বোচ্চ ছাড় দিতে প্রস্তুত। বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে জামায়াত পূর্বের ঘোষিত যেকোন আসনের প্রার্থী সরিয়ে নিবে। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর একটি দল নিজেদেরকে দেশের অঘোষিত মালিক মনে করছে। তারা অপরাধীদের থানা থেকে জোর করে ছাড়িয়ে নিচ্ছে। দেশব্যাপী চাঁদাবাজীর মহোৎসব চলছে।
অনেক এলাকায় প্রশাসনের কর্মকর্তারা একটি দলের প্রতি অতিরিক্ত ভালোবাসা প্রদর্শন করছেন। এসব দলকানা কর্মকর্তাদের অপসারন করে নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের সেইসব পদে বসাতে হবে।

প্রশাসন নিরপেক্ষ না হলে দেশে কোনভাবেই সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। সবার নিকট গ্রহণযোগ্য নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। সরকারকে নিরপেক্ষতার প্রমান দিতে হবে। জাতীয় নির্বাচনের আগে অবশ্যই স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিতে হবে।

প্রয়োজনীয় সংষ্কার ছাড়া যেনে তেন ভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে কোন রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় বসানোর অপচেষ্টা হলে দেশের আলেম সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবেতা রুখে দাঁড়াবে।
তিনি আজ শনিবার দুপুরে বগুড়া শহরের ঐতিহাসিক টিটু মিলনায়তনে বগুড়া জেলা ও মহানগর উলামা-মাশায়েখ পরিষদ আয়োজিত বিশাল উলামা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

রফিকুল ইসলাম খান বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশা সকল ঘারানার আলেম-উলামা ঐক্যবদ্ধ হবেন। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৪ বছরেও আলেম সমাজ জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। জুলাই বিপ্লবের পর সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অতীতের যেকোন সময়ের চাইতে বর্তমানে আলেম সমাজ ঐক্যবদ্ধ। বৃহত্তর ইসলামী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ইতোম্যেই নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে বৃহত্তর ঐক্য গড়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। ভেতরে ভেতরে সকল ইসলামী দল ও পীর-মাশায়েখগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। আগামী জাতীয় নির্বাচনে দেশের সকল ইসলামপন্ধীদের ভোটের বাক্স হবে একটাই।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী হাসিনার সরকার আলেম-উলামাদের নির্বিচারে জেলে বন্দী করেছিলেন। অথচ সেই জেলখানাতে বসেই আলেম সমাজ নিজেদের ভেতর ঐক্যের ভীত রচনা করেছেন। আগামী নির্বাচনে সেই ঐক্যের সত্যিকারের বাস্তবায়ন জাতি দেখবে ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে আলেম সমাজ ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন। অসংখ্য আলেম শহীদ হয়েছেন। দেশের মানুষের জন্য আলেমরা অকাতরে রক্ত ঝরিয়েছেন। জুলাই আন্দোলনে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যেভাবে এক কাতারে দাঁড়িয়ে আমরা আন্দোলন করেছি এবার দেশ গড়ার কাজেও আমাদের সবাইকে শীসাঢালা প্রাচীরের মত ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

সরকারের প্রতি দাবী জানিয়ে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, শেখ হাসিনার সরকার জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে বিচারের নামে হত্যা করেছে। এসকল হত্যার সাথে জড়িত বিচারক, আইনজীবি, সাক্ষীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

প্রশাসনে এখনো ফ্যাসিবাদের দোসররা যেখানে ঘাপটি মেরে আছে তাদের সবাইকে গ্রেফতার করতে হবে। ফ্যাসিবাদের দোসরদের পূনর্বাসন করে হাজারো শহীদের সাথে বেঈমানী জনগণ মেনে নিবেনা।

উপস্থিত আলেম-উলামাদের উদ্দেশ্য করে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, প্রতিটি মসজিদে জুমআর খুৎবায় ঐক্যের বানী ছড়িয়ে দিতে হবে। আমাদের মসজিদ হবে দাওয়াতী কাজ এবং ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু। সামাজিক ঐক্যের মাধ্যমেই আমরা বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে চাই। তিনি বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দূর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে হলে ইসলামপন্থীদের বিকল্প নাই। আল্লাহর আইন এবং সৎ মানুষের শাসন ছাড়া কাংখিত শান্তির সমাজ কখনোই সম্ভব নয়। তাই একটি সুখী, সমৃদ্ধশালী, মানিবক বাংলাদেশ গড়তে ইসলামের বিজয় অনিবার্য্য। আলেম সমাজ ঐক্যবদ্ধ হলে এদেশে ইসলামের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবেনা।

উলামা মাশায়েখ পরিষদ বগুড়া মহানগর শাখার সভাপতি আলহাজ মাওলানা আলমগীর হুসাইনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রিয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ শায়েখ মাওলানা যাইনুল আবেদীন, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. মাওলানা আব্দুস সামাদ, কেন্দ্রিয় উলামা বিভাগের সেক্রেটারি ড. খলিলুর রহমান মাদানী, জামায়াতে ইসলামী বগুড়া অঞ্চলের টীম সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।

আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী বগুড়া জেলা শাখার আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকার, বগুড়া মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আবিদুর রহমান সোহেল, জামিল মাদরাসার মুঈনে মুহতামিম মুফতি মাওলানা আতাউল্লাহ নিজামী, কারবালা মাদরাসার শাইখুল হাদিস মাওলানা কাজী ফজলুল করিম রাজু, ইসলামী আন্দোলন বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আ.ন.ম মামুনুর রশীদ, ওলামা-মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল মতিন, খেলাফত মজলিশের নির্বাহী সভাপতি মুফতি মামুন রহমানী, উলামা মাশায়েখ পরিষদ বগুড়া জেলা সভাপতি মাওলানা মমতাজ উদ্দিন। এছাড়াও স্থানীয় আলেম-উলামাগণ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। সম্মেলনে ১০ দফা ঘোষনা পাঠ করে শোনানো হয়। সবশেষে দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উলামা মাশায়েখ পরিষদ বগুড়া জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল বাসেত ও মহানগর মহানগর সেক্রেটারি ড. আবু সালেহ মামুন।

দুই দেশের এক সেতু বন্ধন

অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হর্টিকালচারের সাথে এটিএন এডুকেশনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর

আব্দুল খালেক নান্নু
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হর্টিকালচারের সাথে এটিএন এডুকেশনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর

 

অস্ট্রেলিয়াতে বাংলাদেশীদের কৃষি বিষয়ের উপরে পড়াশোনার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন ,বাংলাদেশের প্রথম সারির স্বনামধন্য মাল্টি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান এটিএন গ্রুপের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এটিএন এডুকেশন এবং অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হার্টিকালচার।

শুধু তাই নয় বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক মানের এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ২১ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত এটিএন গ্রুপের চেয়ারম্যান ডক্টর মাহফুজুর রহমানের অফিস কক্ষে এক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে এ বিষয় নিয়ে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা করা হয়। এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন এটিএন এডুকেশন এর চেয়ারম্যান ড, মাহফুজুর রহমান ও অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হার্টিকালচার এর জেনারেল ম্যানেজার মিস্টার ব্রায়ান।

দ্বিপাক্ষিক এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে শুরু হয় দুই দেশের মধ্যে একটি কৃষিভিত্তিক শিক্ষার সেতুবন্ধন।

এই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন এটিএন এমসিএল ও এটিএন এডুকেশনের সিইও সাজেদুর রহমান মুনিম,
এটিএন এডুকেশন এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রোকসানা রিনি, ডিরেক্টর আনিসুর রহমান, ডিরেক্টর মোঃ মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

সবশেষে অস্ট্রেলিয়ান মিস্টার ব্রায়ান এটিএন গ্রুপের বিভিন্ন কর্মকর্তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

কানাডার টরেন্টোতে ৪ থেকে ৭সেপ্টেম্বর ৪দিন ব্যাপী

বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো ‘ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো ‘ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকার বাঙ্গালীদের প্রথম এবং জনপ্রিয় সংগঠন ফোবানা ফাউন্ডেশন, সংগঠনটির জন্মলগ্ন থেকেই বাংলাদেশের সর্বস্তরের স্বনামধন্য সব শিল্পী বৃন্দদের নিয়ে প্রতিবছরই জমকালো সব আয়োজন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে কানাডার টরেন্টোতে ২০২৬ এর ৪ই সেপ্টেম্বর থেকে ৭ই সেপ্টেম্বর ৪দিন ব্যাপী বাংলাদেশী শিল্পী, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের নিয়ে সম্মাননা প্রদান সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মেলার আয়োজন করতে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানটি উদযাপনের প্রাথমিক আলোচনার জন্য ফোবানা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ সোসাইটি এসসি – এর সভাপতি আবু জুবায়ের দারা এবং এটিএন এমসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুর রহমান মুনিম ঢাকায় বনানীর ফিশমার্ট রেস্টুরেন্টে শিল্পী কলাকৌশলী এবং উদ্যোক্তাদের নিয়ে বিশেষ আলোচনার আয়োজন করেন।

এই আলোচনায সভায় উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব, এটিএন বাংলার ট্রান্সমিশন উপদেষ্টা তাসিক আহমেদ, বাংলাদেশের সোসাইটি এসসি- এর সহ-সভাপতি আহমেদুর রহমান,এটিএন এডুকেশন এর নির্বাহী পরিচালক রোকসানা আখতার রিনি, সঙ্গীত শিল্পী আখি আলমগীর, ইমরান, সালমা, এস আই সুমন, তামান্না হক, লগ্না, ডলি,চলচ্চিত্র অভিনেতা সুমন মাহমুদ, চলচ্চিত্র শিশু শিল্পী টুনটুনি, নৃত্যশিল্পী সোহেল, মডেল এবং উপস্থাপিকা সালসাবিল, কোরিওগ্রাফার লুনা, মডেল পিউ, চলচ্চিত্র প্রযোজক মাহবুবা শাহরীন, আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা সম্পর্কিত আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন অতিথি গ্রুপের পরিচালক নুরুন্নবী চৌধুরী, উদ্যোক্ত ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর জাহাঙ্গীর আলম, নারী উদ্যোক্তা নাজমুন নাহার চৌধুরী, তানজিনা মিতু এবং ইসরাত ফারিবা।

ফোবানা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ সোসাইটি এসসি – এর সভাপতি আবু জুবায়ের দারা বলেন- ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে এবারের আয়োজন অতীতের সমগ্র আয়োজন হতে অন্যরকম এবং জাঁকজমক পূর্ণ হবে। যেখানে তিনি শিল্পী কলাকৌশলী, উদ্যোক্তা, গণমাধ্যম এবং পৃষ্ঠপোষকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

এটিএন এমসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুর রহমান মুনিম বলেন – এবারের আয়োজন খুব চ্যালেঞ্জিং, অতীতের মতো এবারও সকল চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করে একটি সফল অনুষ্ঠান উপহার দিতে পারবো ইনশাল্লাহ।

চলচ্চিত্র সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব বলেন – প্রবাসী বাঙ্গালীদের এই বৃহৎ মিলনমেলায় উপস্থিত থাকবো এটি অনেক আনন্দের। ৪০ তম ফোবানো উৎসবের ইভেন্ট পার্টনার এটিএন এমসিএল এবং মিডিয়া পার্টনার এটিএন বাংলা।

শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

বিভিন্ন দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থারত শিক্ষকদের ওপর অ্যাকশনে গেছে পুলিশ। রোববার সকাল থেকে রাস্তা অবরোধ করে অবস্থানের এক পর্যায়ে দুপুর পৌনে দুইটার দিকে তাদেরকে সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। শিক্ষকদেরকে ধাওয়া দিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নিয়ে যায়।

এসময় জাতীয় প্রেসক্লাব ও আশপাশের এলাকায় চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষকদের মাঝে। তারা বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে সরে পড়েন। প্রায় তিন ঘন্টা পর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে শিক্ষা উপদেষ্টার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, দেড় হাজার টাকা মেডিকেল ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচিতে নেমেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট।

সকাল ১০ টার পর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থান শুরু করেন শিক্ষকরা। সারা দেশ থেকে আসা ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষকের অবস্থানের কারণে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া জাতীয় প্রেসক্লাব, সচিবালয় ও মেট্রোরেলের প্রবেশ পথে সাধারণ মানুষের চলাচলও চরমভাবে বিঘ্ন হয়।

প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জোটের মহাসচিব দেলাওয়ার হোসেন আজিজী জানিয়েছেন। দাবি আদায়ে অবস্থান থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা আসতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের গত ১৩ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবের শিক্ষক সমাবেশে লক্ষাধিক শিক্ষক-কর্মচারী উপস্থিত ছিল। ওইদিন শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায করে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেসিকের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ দুই মাস পার হলেও প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ হন।

সূত্রমতে, শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে নতুন করে বাড়িভাড়া ভাতা ও মেডিক্যাল ভাতার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাবনা গত ৫ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এতে বাড়িভাড়া ২০ শতাংশ নির্ধারণে নতুন প্রস্তাব করা হয়। একইসঙ্গে কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ এবং চিকিৎসা ভাতা এক হাজার টাকার প্রস্তাব করেন শিক্ষা উপদেষ্টা।

অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হর্টিকালচারের সাথে এটিএন এডুকেশনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো 'ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবার কোরিয়ান জনপ্রিয় ডল ‘লা বু বু’ এর মডেল হলেন "এডলফ খান" রাসূল (সা.)-এর আদর্শ ও শিক্ষা অনুসরণে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব নারায়ণগঞ্জ ‎জেলা প্রশাসকের স্কুল পরিদর্শন: শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ সোনারগাঁয়ে ওস্তাদের শরীর মাসাজ না করায় রক্তাক্ত  মাদরাসা ছাত্র, থানায় অভিযোগ শেরপুর সরকারি কলেজে নবীনবরণ ও উদ্বোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত রাকসু নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪২ জন নির্বাচিত সিরাজগঞ্জে পিতাকে হত্যার ঘটনায় পুত্রের মৃত্যুদণ্ড