খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২২ মাঘ, ১৪৩২

অদম্য তারূন্যের আরেক মাইলফলক

মিশন গোপালগঞ্জ: এনসিপির অনিবার্য বিজয়ের এক অবিনাশী অভিযাত্রা

এফ শাহজাহান
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
মিশন গোপালগঞ্জ: এনসিপির অনিবার্য বিজয়ের এক অবিনাশী অভিযাত্রা
গোপালগঞ্জ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্ধকার জগতের এক প্রভাবশালী ও প্রতীকী স্থান। এটি শুধু একটি জেলা নয়, বরং এটি শেখ মুজিবুর রহমানের বাকশালীয় দু:শাসনের আস্তানা এবং ফ্যা.সিস্ট হাসিনার রাজনৈতিক উত্থানের জ.ঙ্গি ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।
গত ৫০ বছরে গোপালগঞ্জকে নিয়ে যে বাকশালীয় মিথ রচিত হয়েছিল, তা একদিনের অভিযাত্রায় ভেঙ্গে দিতে সক্ষম হয়েছে এনসিপি। মিশন গোপালগঞ্জের মাধ্যমে এনসিপি নামক নতুন এই দলটি বাংলাদেশের অদম্য তারূন্যের অনিবার্য জয়যাত্রার আরেক মাইলফলক স্থাপন করেছে।
সম্প্রতি গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় ৪ জনের প্রাণহানি, সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
গোপালগঞ্জের ঘটনাটি কেবল এনসিপি-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষ হিসেবে নয়, বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের দিকে একটি স্পষ্ট সংকেত বলেও ব্যাখ্যা করার দাবি রাখছে। এই ঘটনাটি চব্বিশের রক্তঝরা জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের আরেক জ্বলন্ত স্মারক হিসেবে তারুণ্যের অবিনাশী শক্তিকে উজ্জীবিত করছে।
এই সহিংসতার সামাজিক-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, এনসিপির উত্থান কীভাবে আওয়ামী লীগের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে এবং এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগকে মোকাবেলার নতুন সমীকরণ তৈরি করে দিবে। সেইসঙ্গে বিএনপিকেও নতুন করে ভাবনার খোরাক যোগাবে। অন্যদিকে, এটি আওয়ামী লীগের জন্য একটি অ্যালার্ম হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
গোপালগঞ্জের রাজনৈতিক ইতিহাস ও প্রতীকী গুরুত্ব
গোপালগঞ্জ শুধু প্রশাসনিক জেলা নয়, এটি আওয়ামী লীগের আদর্শিক ও সাংগঠনিক কেন্দ্র। শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান হিসেবে এবং শেখ হাসিনার সংসদীয় আসন হিসেবে এটি দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রতীক। এটা এতোদিন জ.ঙ্গি আওয়ামী লীগের ক্যান্টনমেন্ট হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে এসেছে।
স্বাধীনতার পর থেকে এই এলাকায় অন্য কোনো রাজনৈতিক দল শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারেনি। আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষরা বরাবরই এই এলাকায় ‘বিরোধী রাজনীতি’ করতে ভয় পেয়েছেন। আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষরা এখানে দাঁড়াতেই পারে নি। যারা দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন, তারাই এখানে আওয়ামী জলুমের শিকার হয়েছেন।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মতো জনপ্রিয় নেতাও গোপালগঞ্জের মিথ ভাঙ্গতে পারেননি। গোপালগঞ্জ মিশনে তাঁর মতো নেতৃতত্বকেও ব্যর্থ হতে হয়েছিল।
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এই রাজনৈতিক দুর্গেই এখন এনসিপির মতো একটি নতুন রাজনৈতিক দল সমাবেশ করছে এবং সেখানে প্রাণঘাতী সহিংসতাকে উপেক্ষা করে এনসিপির মতো একেবারে নতুনদের নিয়ে গঠিত একটি নতুন দলের এই উদ্যোগ নিশ্চয় অনিবার্য বিজয়ের এক অবিনাশী অভিযাত্রা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি নি:সন্দেহে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ এবং ইঙ্গিতবাহী।
এনসিপির উত্থান ও প্রেক্ষাপট
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সম্প্রতি দেশের রাজনীতিতে একটি “তৃতীয় শক্তি” হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেক্ষাপটে গড়ে ওঠা এই দলটি নিজেকে অরাজনৈতিক ধ্যানধারণার বাইরে, একটি “জনগণের আন্দোলনের” উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে।
সকল বাধা উপেক্ষা করে এবং ৫০ বছরের মিথ ভেঙ্গে গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশ করার এই ঘটনা এনসিপিকে ভাবিষ্যতের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানের এক যুগান্তকারী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সেই সঙ্গে মিশন গোপালগঞ্জ এনসিপির অনিবার্য বিজয়ের এক বিপ্লবী অভিযাত্রা হিসেবে বাংলাদেশের অদম্য তরুন প্রজন্মের হৃদয়ে স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে।
এনসিপির এই মিশন গোপালগঞ্জ দেশের তরুণ সমাজ, মধ্যবিত্ত শ্রেণি এবং আওয়ামী-বিরোধী জনসম্পৃক্ত জনগোষ্ঠীর ব্যাপক সমর্থনও পাচ্ছে। দুর্নীতি, দলতন্ত্র, পরিবারতন্ত্র ও ভোট ডাকাতির বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান নেওয়ার মাধ্যমে এনসিপি আরো দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এরফলে এই ঘটনা বাংলাদেশের গতিপথ পাল্টে দেওয়ার মতো জনস্রোত তৈরিতে সক্ষমতার জানান দিচ্ছে।
গোপালগঞ্জ সমাবেশের তাৎপর্য
গোপালগঞ্জে সমাবেশ ছিল মূলত একটি প্রতীকী কর্মসূচি। যেখানে এনসিপি আসলে আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক দুর্গে প্রবেশ করে একটি ‘ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী বার্তা’ দিতে চেয়েছিল। এনসিপি যে উদ্দেশ্যে মিশন গোপালগঞ্জ বাস্তবায়ন করতে গিয়েছিল, তাতে তারা শতভাগ সফল হয়েছেন।
গোপালগঞ্জ সহিংসতার তথ্য ও পর্যবেক্ষণ
এনসিপির গাড়িবহর গোপালগঞ্জ শহরে প্রবেশ করার পর পৌর পার্ক ও লঞ্চঘাট এলাকায় আগে থেকেই ওঁৎপেতে থাকা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সশস্ত্র জ.ঙ্গিরা হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুরুতে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হলেও পরে তা সহিংসতায় রূপ নেয়। দফায় দফায় গুলিবর্ষণ, লাঠিচার্জ, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত চারজন নিহত ও বহু আহত হন।
এই ঘটনায় আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ সহিংসতা,হিংস্রতা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের আলামত ফুটে উঠেছে।
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কফিনে শেষ পেরেক
গোপালগঞ্জে এমন সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা আওয়ামী লীগের জন্য একটি বড় ধাক্কা। এটি শুধু তাদের ‘অভেদ্য দুর্গে’ এক নতুন দল প্রবেশ করল বলেই নয়, বরং কারণ এটি জনমনে একটি প্রশ্ন তৈরি করেছে: আওয়ামী লীগের প্রভাব কি তাহলে চিরতরে ক্ষয় হতে শুরু করেছে?
এছাড়াও গোপালগঞ্জের সহিংসতা আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগকে চিরতরে নিষিদ্ধ করার যৌক্তিকতাও তৈরি করে দিয়েছে। গোপালগঞ্জের মতো এলাকায় সহিংসতা ঘটলে জনগণ বুঝবে যে আওয়ামী লীগ দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে চাচ্ছে।
এতে করে এখনো যারা আওয়ামী লীগের ভবিষ্যত নিয়ে কিঞ্চিৎ আশাবাদী ছিলেন তাদের আরও কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ফেলবে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ
বিদেশি গণমাধ্যম ও কূটনৈতিক মহল গোপালগঞ্জের সহিংসতার ওপর নজর রাখছে। এতে করে আওয়ামী লীগের ওপর মানবতাবিরোধী তৎপরতা ও রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ে আরও চাপ তৈরি হতে পারে। যা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে উত্থাপি অভিযোগকে আরো পাকাপোক্ত করবে।
গোপালগঞ্জের ঘটনা শুধু একটি জেলা নয়, পুরো দেশের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যান্য এলাকায় এনসিপি বা বিকল্প রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে এখন আরও সাহস জোগাবে।
বিএনপি ও জামায়াত এই ঘটনাকে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরার সুযোগ পাবে। সরকারও আওয়ামী লীগকে নতুনভাবে মূল্যায়নের সুযোগ পাবে।
এই ঘটনার পর আন্তর্বর্তী সরকার আগামী দিনে যে কোন পরিস্থিতিকে আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইবে। যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কাঙ্খিত অবস্থায় বজায় থাকে।
গোপালগঞ্জের ঘটনা জাতীয় পর্যায়ে এনসিপিকে জনসমর্থনের দিক থেকে শক্তিশালী করে তোলে। এতে আওয়ামী লীগ আরও চাপে পড়বে এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনে তাদের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশে সহিংসতা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি সন্ধিক্ষণের সূচনা ঘটাতে পারে। একদিকে এটি প্রমাণ করে যে রাজনৈতিক মাঠে নতুন শক্তির প্রবেশ সম্ভব। অন্যদিকে এটি প্রমান করে যে,অদম্য তারুণ্যই হবে ভবিষ্যতের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানের কান্ডারী ।

দুই দেশের এক সেতু বন্ধন

অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হর্টিকালচারের সাথে এটিএন এডুকেশনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর

আব্দুল খালেক নান্নু
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হর্টিকালচারের সাথে এটিএন এডুকেশনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর

 

অস্ট্রেলিয়াতে বাংলাদেশীদের কৃষি বিষয়ের উপরে পড়াশোনার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন ,বাংলাদেশের প্রথম সারির স্বনামধন্য মাল্টি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান এটিএন গ্রুপের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এটিএন এডুকেশন এবং অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হার্টিকালচার।

শুধু তাই নয় বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক মানের এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ২১ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত এটিএন গ্রুপের চেয়ারম্যান ডক্টর মাহফুজুর রহমানের অফিস কক্ষে এক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে এ বিষয় নিয়ে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা করা হয়। এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন এটিএন এডুকেশন এর চেয়ারম্যান ড, মাহফুজুর রহমান ও অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হার্টিকালচার এর জেনারেল ম্যানেজার মিস্টার ব্রায়ান।

দ্বিপাক্ষিক এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে শুরু হয় দুই দেশের মধ্যে একটি কৃষিভিত্তিক শিক্ষার সেতুবন্ধন।

এই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন এটিএন এমসিএল ও এটিএন এডুকেশনের সিইও সাজেদুর রহমান মুনিম,
এটিএন এডুকেশন এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রোকসানা রিনি, ডিরেক্টর আনিসুর রহমান, ডিরেক্টর মোঃ মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

সবশেষে অস্ট্রেলিয়ান মিস্টার ব্রায়ান এটিএন গ্রুপের বিভিন্ন কর্মকর্তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

কানাডার টরেন্টোতে ৪ থেকে ৭সেপ্টেম্বর ৪দিন ব্যাপী

বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো ‘ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো ‘ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকার বাঙ্গালীদের প্রথম এবং জনপ্রিয় সংগঠন ফোবানা ফাউন্ডেশন, সংগঠনটির জন্মলগ্ন থেকেই বাংলাদেশের সর্বস্তরের স্বনামধন্য সব শিল্পী বৃন্দদের নিয়ে প্রতিবছরই জমকালো সব আয়োজন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে কানাডার টরেন্টোতে ২০২৬ এর ৪ই সেপ্টেম্বর থেকে ৭ই সেপ্টেম্বর ৪দিন ব্যাপী বাংলাদেশী শিল্পী, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের নিয়ে সম্মাননা প্রদান সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মেলার আয়োজন করতে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানটি উদযাপনের প্রাথমিক আলোচনার জন্য ফোবানা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ সোসাইটি এসসি – এর সভাপতি আবু জুবায়ের দারা এবং এটিএন এমসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুর রহমান মুনিম ঢাকায় বনানীর ফিশমার্ট রেস্টুরেন্টে শিল্পী কলাকৌশলী এবং উদ্যোক্তাদের নিয়ে বিশেষ আলোচনার আয়োজন করেন।

এই আলোচনায সভায় উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব, এটিএন বাংলার ট্রান্সমিশন উপদেষ্টা তাসিক আহমেদ, বাংলাদেশের সোসাইটি এসসি- এর সহ-সভাপতি আহমেদুর রহমান,এটিএন এডুকেশন এর নির্বাহী পরিচালক রোকসানা আখতার রিনি, সঙ্গীত শিল্পী আখি আলমগীর, ইমরান, সালমা, এস আই সুমন, তামান্না হক, লগ্না, ডলি,চলচ্চিত্র অভিনেতা সুমন মাহমুদ, চলচ্চিত্র শিশু শিল্পী টুনটুনি, নৃত্যশিল্পী সোহেল, মডেল এবং উপস্থাপিকা সালসাবিল, কোরিওগ্রাফার লুনা, মডেল পিউ, চলচ্চিত্র প্রযোজক মাহবুবা শাহরীন, আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা সম্পর্কিত আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন অতিথি গ্রুপের পরিচালক নুরুন্নবী চৌধুরী, উদ্যোক্ত ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর জাহাঙ্গীর আলম, নারী উদ্যোক্তা নাজমুন নাহার চৌধুরী, তানজিনা মিতু এবং ইসরাত ফারিবা।

ফোবানা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ সোসাইটি এসসি – এর সভাপতি আবু জুবায়ের দারা বলেন- ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে এবারের আয়োজন অতীতের সমগ্র আয়োজন হতে অন্যরকম এবং জাঁকজমক পূর্ণ হবে। যেখানে তিনি শিল্পী কলাকৌশলী, উদ্যোক্তা, গণমাধ্যম এবং পৃষ্ঠপোষকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

এটিএন এমসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুর রহমান মুনিম বলেন – এবারের আয়োজন খুব চ্যালেঞ্জিং, অতীতের মতো এবারও সকল চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করে একটি সফল অনুষ্ঠান উপহার দিতে পারবো ইনশাল্লাহ।

চলচ্চিত্র সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব বলেন – প্রবাসী বাঙ্গালীদের এই বৃহৎ মিলনমেলায় উপস্থিত থাকবো এটি অনেক আনন্দের। ৪০ তম ফোবানো উৎসবের ইভেন্ট পার্টনার এটিএন এমসিএল এবং মিডিয়া পার্টনার এটিএন বাংলা।

শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

বিভিন্ন দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থারত শিক্ষকদের ওপর অ্যাকশনে গেছে পুলিশ। রোববার সকাল থেকে রাস্তা অবরোধ করে অবস্থানের এক পর্যায়ে দুপুর পৌনে দুইটার দিকে তাদেরকে সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। শিক্ষকদেরকে ধাওয়া দিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নিয়ে যায়।

এসময় জাতীয় প্রেসক্লাব ও আশপাশের এলাকায় চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষকদের মাঝে। তারা বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে সরে পড়েন। প্রায় তিন ঘন্টা পর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে শিক্ষা উপদেষ্টার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, দেড় হাজার টাকা মেডিকেল ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচিতে নেমেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট।

সকাল ১০ টার পর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থান শুরু করেন শিক্ষকরা। সারা দেশ থেকে আসা ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষকের অবস্থানের কারণে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া জাতীয় প্রেসক্লাব, সচিবালয় ও মেট্রোরেলের প্রবেশ পথে সাধারণ মানুষের চলাচলও চরমভাবে বিঘ্ন হয়।

প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জোটের মহাসচিব দেলাওয়ার হোসেন আজিজী জানিয়েছেন। দাবি আদায়ে অবস্থান থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা আসতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের গত ১৩ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবের শিক্ষক সমাবেশে লক্ষাধিক শিক্ষক-কর্মচারী উপস্থিত ছিল। ওইদিন শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায করে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেসিকের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ দুই মাস পার হলেও প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ হন।

সূত্রমতে, শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে নতুন করে বাড়িভাড়া ভাতা ও মেডিক্যাল ভাতার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাবনা গত ৫ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এতে বাড়িভাড়া ২০ শতাংশ নির্ধারণে নতুন প্রস্তাব করা হয়। একইসঙ্গে কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ এবং চিকিৎসা ভাতা এক হাজার টাকার প্রস্তাব করেন শিক্ষা উপদেষ্টা।

অস্ট্রেলিয়ান কলেজ অফ এগ্রিকালচার এন্ড হর্টিকালচারের সাথে এটিএন এডুকেশনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর বাংলাদেশ থেকে শুভারম্ভন হলো 'ফোবানার ৪০ তম বর্ষপূর্তি উৎসব আয়োজন শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবার কোরিয়ান জনপ্রিয় ডল ‘লা বু বু’ এর মডেল হলেন "এডলফ খান" রাসূল (সা.)-এর আদর্শ ও শিক্ষা অনুসরণে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব নারায়ণগঞ্জ ‎জেলা প্রশাসকের স্কুল পরিদর্শন: শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ সোনারগাঁয়ে ওস্তাদের শরীর মাসাজ না করায় রক্তাক্ত  মাদরাসা ছাত্র, থানায় অভিযোগ শেরপুর সরকারি কলেজে নবীনবরণ ও উদ্বোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত রাকসু নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪২ জন নির্বাচিত সিরাজগঞ্জে পিতাকে হত্যার ঘটনায় পুত্রের মৃত্যুদণ্ড